February 9, 2023
Friday, 11 November 2022 02:36

নবীগঞ্জে আলোচিত সবজি বিক্রেতা লিটন হত্যাকান্ড ॥ প্রধান আসামী জুবেল রুবেলসহ গ্রেফতার ৪

মোঃ হাসান চৌধুরী.

বার্তা সম্পাদক : দৈনিক নবীগঞ্জের ডাক। 

নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জে আলোচিত সবজি ব্যবসায়ী লিটন মিয়া (৪৮) হত্যা মামলার প্রধান আসামী দু’সহোদর জুবেল মিয়া ও রুবেল মিয়াকে বান্দরবন (রাঙামাটি) থেকে গ্রেফতার করেছেন নবীগঞ্জ পুলিশ। এর আগে পুলিশ মামলার ৫নং আসামী মোজাহিদ আলীকে কালিয়ারভাঙ্গা ইউপির তাজপুর এলাকা থেকে এবং ৪নং আসামী জিলকার মিয়াকে নেত্রকোনা ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে মামলার অগ্রগতি, মুল রহস্য উদঘাটন এর সমুহ সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশাবাদী পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের হত্যাকান্ডের বিষয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সার্কেল এএসপি আবুল খায়ের ও ওসি ডালিম আহমদ। এ পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেফতার করেছেন পুলিশ।বিগত ২০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে নবীগঞ্জ থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা নং ১৬, তাং ২০-০৯-২০২২ইং দায়ের করেন নিহতের ভাই সালেহ আহমদ। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় ইনাতগঞ্জ ফাড়িঁ ইনচার্জ কাউছার আলমকে। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর পাহারাদার বুলকি মিয়া (৭০) সহ ২জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করলেও ঘটনার মুল ঘাতকদের গ্রেফতার করতে না পারায় এলাকায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। পরে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান নবীগঞ্জ থানার এসআই রাজিবুর রহমান। ওসি ডালিম আহমদের দিক নিদের্শনায় প্রধান আসামীসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যসমত গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের পুত্র লিটন মিয়া ইনাতগঞ্জ বাজারের প্রতিষ্টিত সবজি ব্যবসায়ী। ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ব্যবসা বন্ধ করার পর আর বাড়ি ফিরেনি। তার মোবাইল ফোন ও বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজন’সহ আত্মীয়স্বজন অনেক খোঁজাখঁজি করেও কোথাও তার সন্ধান পাননি। এ ব্যাপারে নিখোজঁ লিটনের ভাই নবীগঞ্জ থানায় শুক্রবার রাতে সাধারন ডায়েরী করেন। অবশেষে ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামের ভিতর দিয়ে বিবিয়ানা নদীতে (মরা নদী) স্থানীয় লোকজন ভাসমান অবস্থায় লিটন মিয়ার লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ডালিম আহমেদ, ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ কাওসার আলমসহ একদল পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করেন। পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে। ঘটনার পরপরই নিহত লিটন মিয়ার পরিবার এই হত্যাকান্ডের সাথে চেয়ারমান নোমান হোসেন এর মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ করেন। এদিকে মামলা দায়ের করার ৪১ দিন এবং ঘটনার ৪৪ দিন পর বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা নবীগঞ্জ থানার এসআই রাজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ডালিম আহমদের দিক নির্দেশনায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তথ্য প্রযুক্তি ও বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুত্রধরে মামলার প্রধান আসামীসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Login to post comments
  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular